বিস্তারিত জানতে সম্পূর্ণ প্রবন্ধটি পড়া চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হবে। নির্দিষ্ট বিষয়ে জানতে নিম্নে ক্লিক করতে পারেন।
[ez-toc]
১. সাধারণ উপকারিতা-
কালোজিরায় আছে, ক্যান্সার প্রতিরোধক ক্যারোটিন ও শক্তিশালী হরমোন, বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।
এর প্রধান উপাদানের মধ্যে রয়েছে, আমিষ ২১, শতাংশ, শর্করা ৩৮ শতাংশ, স্নেহ বা ভেষজ তেল ও চর্বি ৩৫ শতাংশ।
এছাড়াও এতে আছে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ।
প্রতি গ্রাম কালিজিরার পুষ্টি উপাদান হলো-প্রোটিন ২০৮ মাইক্রোগ্রাম; ভিটামিন বি১ ১৫ মাইক্রোগ্রাম; নিয়াসিন ৫৭ মাইক্রোগ্রাম; ক্যালসিয়াম ১.৮৫ মাইক্রোগ্রাম; আয়রন ১০৫ মাইক্রোগ্রাম; ফসফরাস ৫.২৬ মিলিগ্রাম; কপার ১৮ মাইক্রোগ্রাম; জিংক ৬০ মাইক্রোগ্রাম; ফোলাসিন ৬১০ আইউ।
কালিজিরার অন্যতম উপাদানের মধ্যে আরও আছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন ও স্থায়ী তেল।
পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বোহাইড্রেট, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি ছাড়াও জীবাণুনাশক বিভিন্ন উপাদান যা হাজারও উপকার করে।
নিম্নে কালোজিরার উপকারিতা ও ব্যবহারবিধি সবিস্তার বর্ণনা করা হলো-
২। ক্যান্সার নিরাময়ে-
সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে কালোজিরার তেল নিয়মিত ব্যবহারে ব্রেইন ক্যান্সার ও ব্রেস্ট ক্যান্সার সেল জন্মাতে বাধা দেয়।
তেলে থাকা থাইকিউমিন প্রোগ্রাম মূলত ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে থাকে।
আপনারা পড়ছেন কালোজিরার উপকারিতা ও ব্যবহারবিধি।
কন্টেটি যদি ভালো লাগে তবে শেয়ারের অনুরোধ রাখছি।
৩। লিভার ও কিডনি কার্যক্রম ঠিক রাখতে-
২০১৩ সালে এক গবেষণায় উঠে এসেছে যে,কালোজিরার তেল কিডনি ও লিভারের কার্যক্রম ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
তবে অবশ্যই সেক্ষেত্রে আপনাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
(বি: দ্র: এ পোস্টটি যদি আপনার উপকারে আসে,
তবে বিনিময় বা কৃতজ্ঞতা স্বরুপ হলেও অনুরোধ করবো যে,
প্লিজ, নিম্নের ২টি লিংকে ক্লিক করুন-
১.
২.
এবং আমার উক্ত ২টি ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
এতে আপনার তেমন কোন ব্যয় বা কোন ক্ষতি হবে না।
বরং উপকারীর উপকার স্বীকার করা ইহা আপনার কর্তব্য। ধন্যবাদ।)
৪। স্মরণ শক্তি বৃদ্ধিতে-
এক চা চামচ পুদিনা পাতার রস বা কমলার রস বা এক কাপ রঙ চায়ের সাথে এক চা চামচ কালোজিরা তেল মিশিয়ে দিনে তিনবার করে নিয়মিত খাবেন।
যা আপনার দুশ্চিন্তা দূর করবে।
এছাড়া এটি মেধার বিকাশের জন্য কাজ করে দ্বিগুণ হারে।
কালোজিরা নিজেই একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক।
যা মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মরণ শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৫। মাথা ব্যাথা নিরাময়ে-
১/২ চা চামচ কালোজিরা তেল মাথায় ভালোভাবে লাগাতে হবে এবং এক চা চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুসহ দিনে তিনবার করে ২/৩ সপ্তাহ খেলে মাথা ব্যথায় উপকার পাবেন।
৬।সর্দি সারাতে-
এক চা চামচ কালোজিরা তেল সমপরিমাণ মধু বা এক কাপ রং চায়ের সাথে মিশিয়ে দৈনিক ৩ বার খেতে হবে এবং মাথায় ও ঘাড়ে রোগ সেরে না যাওয়া পর্যন্ত মালিশ করতে হবে।
এছাড়া এক চা-চামচ কালোজিরার তেলের সাথে দুই চা-চামচ তুলসী পাতার রস মিশিয়ে খেলে জ্বর, ব্যথা, সর্দি-কাশি দূর হবে।
৭। বাতের ব্যাথা দূরীকরণে-
আক্রান্ত স্থানে ধুয়ে পরিষ্কার করে তাতে কালোজিরা তেল মালিশ করুন উপকার পাবেন।
এক চা চামচ কাঁচা হলুদের রসের সাথে সমপরিমাণ কালোজিরা সমপরিমান মধু মিশিয়ে দৈনিক ৩ বার করে ২/৩ সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।
৮। হার্টের বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে-
এক চা চামচ কালোজিরার গুড়া এক কাপ দুধের সাথে মিশিয়ে দৈনিক ২ বার করে ৪/৫ সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।
৯। ব্লাডপ্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখতে-
প্রতিদিন সকালে রসুনের দুটি কোষ চিবিয়ে খেয়ে এবং সমস্ত শরীরে কালোজিরার তেল মালিশ করে সূর্যের তাপে কমপক্ষে আধাঘন্টা অবস্থান করতে হবে এবং এক চা-চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুসহ প্রতি সপ্তাহে ২/৩ দিন খেলে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে।
১০। পাইলস সমস্যা নিরাময়ে-
এক চা-চামচ মাখন ও সমপরিমাণ তিলের তেল, এক চা চামচ কালোজিরার তেল সহ প্রতিদিন খালি পেটে ৩/৪ সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।
১১। শ্বাস কষ্ট বা হাঁপানি রোগ সারাতে-
যারা হাঁপানী বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী।
প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা রাখুন খাদ্য তালিকায়।
কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাস কষ্ট জনিত সমস্যা উপশম করে।
১২। ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে-
ডায়াবেটিস রোগ উপশমে বেশ কাজে লাগে কালোজিরা।
এক চিমটি পরিমাণ কালোজিরা এক গ্লাস পানির সঙ্গে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেয়ে দেখুন, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
এছাড়া রং চা বা গরম ভাতের সাথে মিশিয়ে দৈনিক ২ বার করে খেলে উপকার পাবেন।
আপনারা পড়ছেন কালোজিরার উপকারিতা ও ব্যবহারবিধি।
কন্টেটি যদি ভালো লাগে তবে শেয়ারের অনুরোধ রাখছি।
১৩। যৌন সমস্যা সমাধানে-
কালোজিরা নারী পুরুষ উভয়ের যৌন ক্ষমতা বাড়ায় এবং যৌন সমস্যা প্রতিরোধ করে।
প্রতিদিন কালোজিরা খাবারে সাথে খেলে পুরুষের স্পার্ম সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং পুরুষত্বহীনতা থেকে মুক্তির সম্ভাবনা তৈরি করে।
এক চা চামচ মাখন,এক চা চামচ জাইতুন তেল সমপরিমাণ কালোজিরা ও মধুসহ দৈনিক ৩ বার ৪/৫ সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।
১৪। অনিয়মিত মাসিক সমস্যায়-
এক কাপ কাঁচা হলুদের রস বা সমপরিমাণ আতপ চাল ধোয়া পানির সাথে এক কাপ চা চামচ কালোজিরার তেল মিশিয়ে দৈনিক ৩ বার করে খেলে কার্যকারীতা বুঝতে পারবেন।
১৫। বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে-
যেসব মায়েদের বুকে পর্যাপ্ত দুধ নেই, তাদের মহৌষধ কালিজিরা।
মায়েরা প্রতি রাতে শোয়ার আগে ৫-১০ গ্রাম কালিজিরা মিহি করে দুধের সঙ্গে খেতে থাকুন। মাত্র ১০-১৫ দিনে দুধের প্রবাহ বেড়ে যাবে।
১৬। আমাশয় নিরাময়ে-
আমাশয় রোগের চিকিৎসা করতে কালোজিরার ব্যবহার অনেক পুরোনো।
এক চা-চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধু সহ দিনে ৩ বার করে ২/৩ সপ্তাহ খাবেন।
১৭। শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি করতে-
দুই বছরের অধিক বয়সী শিশুদের কালোজিরা খাওয়ানোর অভ্যাস করলে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে।
শিশুর মস্তিষ্কের সুস্থতা এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও অনেক কাজ করে এটি।
১৮। রূপচর্চায় কালোজিরার তেল-
কালোজিরায় থাকা এন্টি মাইক্রোবিল,এনি–ইনফালাম্যাটরি ত্বকের ব্রণের জীবাণু গুলা ধ্বংস করে।
এক গবেষণায় দেখা গেছে কালোজিরার তেল প্রথম সপ্তাহে 58%জীবাণু ধ্বংস করে। দ্বিতীয় সপ্তাহে 38%হ্রাস পায়।
এতে থাকা ফ্যাটি এসিড ও অ্যামানো এসিড ত্বকের ভিতরের লিপিড লেয়ারকে ময়েশ্চারাইজ করে এবং এতে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট ত্বকের সেল গুলাকে উজ্জ্বল করে। ত্বকের বলিরেখা দূর করে।
চোখের পাপড়ির ঘনত্ব বাড়ায়।
১৯। চুলের যত্নে কালোজিরার তেল-
চুল পড়া কমাতে, চুল অকালে পেকে যাওয়া রোধ করতে, চুল লম্বা করতে এবং চুলকে স্বাস্থ্যাজ্জ্বল করতে কালোজিরার তেল ব্যবহার করা যেতে পারে।
২০। দেহের সাধারণ উন্নতিতে-
নিয়মিত কালোজিরা সেবনে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সতেজ করে ও সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন করে।
অরুচি, উদরাময়, শরীর ব্যথা, গলা ও দাঁতের ব্যথা, মাইগ্রেন, চুলপড়া, সর্দি,কাশি, হাঁপানি নিরাময়ে কালোজিরা অনেক সাহায্য করে থাকে।
২১। হজমের সমস্যা দূরীকরণে-
হজমের সমস্যায় এক-দুই চা-চামচ কালিজিরা বেটে পানির সাথে খেতে হবে।
এভাবে প্রতিদিন দু-তিনবার খেলে এক মাসের মধ্যে হজমশক্তি বেড়ে যাবে।
পাশাপাশি পেট ফাঁপাভাবও দূর হবে।
২২। শান্তিপূর্ণ নিদ্রার জন্য-
কালোজিরার তেল ব্যবহারে রাতভর প্রশান্তিপূর্ন নিদ্রা হবে।
তাই যাদের ঘুমের সমস্যা আছে তারা কালোজিরা নিয়মিত খেতে পারেন।
২৩। স্বাস্থ্য ভাল রাখতে-
মধুসহ প্রতিদিন সকালে কালোজিরা সেবনে স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও সকল মহামারী রোগ হতে রক্ষা পাওয়া যায়।
২৪। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে-
কালোজিরা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে।
ফলে নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে।
এতে করে যে কোন জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বস্থ্যের উন্নতি করে।
১ চামচ কালোজিরা অথবা কয়েক ফোটা কালোজিরার তেল ও ১ চামচ মধুসহ প্রতিদিন খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।
২৫। বিভিন্ন প্রকার চর্মরোগ সারাতে-
আক্রান্ত স্থান ভাল করে ধুয়ে পরিষ্কার করে তাতে কালোজিরার তেল মালিশ করতে হবে।
এক চা চামচ কাঁচা হলুদের রসের সাথে সমপরিমাণ কালোজিরার তেল, সমপরিমান মধু বা এক কাপ রং চায়ের সাথে দৈনিক ৩বার খেতেও হবে। এভাবে ২/৩ সপ্তাহ খেতে হবে।
২৬। ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখতে-
প্রতিদিন সকালে রসুনের দুটি কোষ চিবিয়ে খেয়ে এবং সমস্ত শরীরে কালোজিরার তেল মালিশ করে সূর্যেরতাপে কমপক্ষে আধা ঘন্টা বসে থাকতে হবে।
এবং এক চা-চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুসহ প্রতি সপ্তাহে ২/৩ দিন খেতে হবে ফলে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ থাকবে।
এছাড়া কালোজিরা বা কালোজিরা তেল বহুমুত্র রোগীদের রক্তের শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং নিম্ন রক্তচাপকে বৃদ্ধি করে উচ্চ রক্তচাপকে হ্রাস করে।
২৭। গ্যাষ্ট্রীক বা আমাশয় নিরাময়ে-
এক চা-চামচ তেল সমপরিমাণ মধু সহ দিনে ৩বার করে ২/৩ সপ্তাহ ধরে খেতে হবে।
তাহলে গ্যাস্টিক বা আমাশয়ের জন্য আর কষ্ট পেতে হবে না।
২৮। ত্বকের আদ্রতার বাড়াতে-
শীতকালে ত্বকের আদ্রতার জন্য বডি লোশনের পরিবর্তে শুধু কালোজিরার তেল অথবা জাইতুন (অলিভওয়েল) তেল এর সাথে কালোজিরার তেল মিশিয়ে সারা শরীরে মালিশ করতে হবে।
যা আপনার বা আপনার শিশুর ত্বকের আদ্রতা ও লাবণ্যময় বৃদ্ধি করবে এবং চর্মরোগের ঝুঁকি কমাবে।
বিশেষভাবে শিশুর ত্বকের জন্য এই পদ্ধতিতে সারা বছর ব্যবহার করতে পারেন।
আপনারা পড়ছেন কালোজিরার উপকারিতা ও ব্যবহারবিধি।
কন্টেটি যদি ভালো লাগে তবে শেয়ারের অনুরোধ রাখছি।
২৯। জন্ডিস বা লিভারের বিভিন্ন সমস্যার দূরীকরণে-
লিভারের সুরক্ষায় ভেষজটি অত্যন্ত অসাধারন। লিভার ক্যান্সারের জন্য দায়ী আফলা টক্সিন নামক বিষ ধ্বংস করে কালিজিরা।
যদি এক গ্লাস ত্রিপলার শরবতের সাথে এক চা-চামচ কালোজিরার তেল দিনে ৩বার করে ৪/৫ সপ্তাহ খেতে পারেন তাহলে অনেক ভাল ফলাফল পাবেন।
৩০। পিঠের ব্যাথা দূর করতে-
কালোজিরার থেকে যে তেল বের করা হয় তা আমাদের দেহে বাসা বাঁধা দীর্ঘ মেয়াদী রিউমেটিক এবং পিঠে ব্যথা কমাতে বেশ সাহায্য করে।
এছাড়াও সাধারণভাবে কালোজিরা খেলেও অনেক উপকার পাওয়া যাবে।
৩০। দাঁত ব্যথা দূরীকরণে-
দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালোজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে যাবে। কালোজিরা মুখের যেমন জিহ্বা, তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মেরে ফেলে।
৩২। হৃদরোগের ঝুঁকি ও শরীরের মেদ কমাতে-
চা বা গরম পানির সাথে কালো জিরার তেল মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার পাওয়া যায় তেমনি শরীরের বাড়তি মেদও কমে ।
৩৩। জ্বর সহ আরো কয়েকটি রোগে-
জ্বর হলে সকাল-সন্ধায় লেবুর রসের সাথে কালো জিরার তেল পান করুন ।
জ্বর দ্রুত সেরে যাবে ।
হাঁটুর ব্যাথা সারাতে রোজ রাতে কালো জিরার তেল হাঁটুতে মালিশ করুন ,হাঁটুর ব্যাথা কমে যাবে ।
ছুলি বা শ্বেতী হলে আক্রান্ত স্থানে আপেলের টুকরো দিয়ে ঘষে নিন,তারপর কালো জিরার তেল লাগান ।
এভাবে ১৫ দিন থেকে ১ মাস পর্যন্ত লাগান।
৩৪। কালোজিরার তেল ব্যবহারের উপকারিতা-
কালোজিরার তেল মূলত আমরা স্বাস্থ্য উপকারিতায় ও রূপচর্চায় ব্যবহার করে থাকি।
কালোজিরা তেলে 100টির ও বেশি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে মানব দেহের জন্য।
কালোজিরার অনন্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে নাইজেলোন,থাইমোকিনোন ও স্থায়ী তেল। এতে আরো রয়েছে আমিষ,শর্করা সহ প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড সমূহ।
আপনারা পড়ছেন কালোজিরার উপকারিতা ও ব্যবহারবিধি।
কন্টেটি যদি ভালো লাগে তবে শেয়ারের অনুরোধ রাখছি।
পাশাপাশি কালোজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন,জিংক, ম্যাগনেশিয়াম,ফেলোনিয়াম,ভিটামিন–এ,ভিটামিন–বি,ভিটামিন-বি2,নিয়াসিম ও ভিটামিন–সি।
এই তেলের মধ্যে আরো রয়েছে ফসফেট, লৌহ,ফসফরাস,কার্বো–হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণু নাশকের বিভিন্ন উপাদান সমূহ।
এতে রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হরমোন ও প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদানসমূহ।
এছাড়াও আরো রয়েছে এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।
কালোজিরার উপকারিতা ও ব্যবহারবিধি এ বিষয়ে এর বেশি কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না।
তবুও এর যথোপযুক্ত ব্যবহার না করার কারণে সামান্য কিছু অসুবিধা দেখা দিতে পারে।
তাই সংবেদনশীল ব্যবহার হিসেবে নিম্ন বিষয়গুলো অবশ্যই মেনে চলবেন।
যেমন-
গর্ভাবস্থায় ও দুই বছরের কম বয়সের বাচ্চাদের কালোজিরা বা কালোজিরার তেল খাওয়ানো উচিত নয়।
তবে বাহ্যিক ভাবে ব্যবহার করা যাবে। যাদের কালোজিরা খেলে বুক জ্বলে বা গ্যাসের সমস্যা হয় তারা সরাসরি না খেয়ে ভাতের সাথে খাবেন।
আবার যে কোন রোগের ক্ষেত্রেই বেশি খেতে যাবেন না।
বেশি খাওয়া কোন পক্ষেই ভালো নয়।
সবমিলিয়ে কালোজিরার অপকারিতা নেই বললেই চলে।
কন্টেন্টটি পড়ার জন্য; লাইক, শেয়ার, কমেন্ট ও আমল করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন. সুন্দর থাকুন।
আপনাদের উজ্জল ভবিষ্যত কামনায়, আল্লাহ হাফেজ।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
এ পোস্টের ট্যাগ সমূহঃ #blackberries, #kalojirar upokarita, #usefulness of blackberries, #কালোজিরা, #কালোজিরার উপকারিতা, #কালোজিরার ব্যবহারবিধি


0 Comments